শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকের দাফনে বাধা-


স্টাফ রিপোর্টার ॥ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নে জ্বরসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে মৃত্যুবরণকারী পল্লী চিকিৎসক জাহিদুর রহমান খোকনের দাফনে বাঁধা দিয়েছেন এলাকার কিছু প্রভাবশালী। মরদেহের পাশে আসেননি আত্মীয়-স্বজনরাও। কেউ এগিয়ে না আসায় দাফন সম্পন্ন করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, গত শনিবার নিজ বাড়িতে মারা যান জাহিদুর রহমান। কিন্তু দেরীতে খবর পাওয়ায় নমুনা সংগ্রহ করতে পারেনি স্বাস্থ্য বিভাগ। মরদেহের পাশে আসেননি আত্মীয়-স্বজনরাও। ওইদিন রাতেই গ্রামে দাফন করতে চাইলে বাঁধ দেন এলাকার কিছু প্রভাবশালী। পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান এবং এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে মরদেহ দাফন করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় নামাজে জানাজার পর রাত দুইটায় দাফন সম্পন্ন হয়।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রাজিব সরকার জানান, আত্মীয়-স্বজনরা তার কাছে আসেননি। গ্রামবাসী লাশ দাফনে বাধা দেয়। পরে আমরা ওই গ্রামে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে তাদেরকে বুঝিয়ে কবর খনন করি এবং দাফন সম্পন্ন করি।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আল মামুন জানান, পুলিশ সদস্যরা করোনা ভয়কে উপেক্ষা করে মরদেহ দাফনে ছুটে গিয়েছিলেন। তা মানবিক কারনেই।
প্রসঙ্গত, মৃত ব্যক্তি নুরপুর গ্রামের শেখ দাউদুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। মারা যাওয়ার পূর্বে প্রায় ৬ দিন ধরে তিনি জ্বরসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগেন। সুতাং-বাছিরগঞ্জ বাজারে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বার রয়েছে তার। খোকন ব্যক্তিগত জীবনে ৫ বছরের এক কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।

-