আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রা-
এসএম সুরুজ আলী ॥ হবিগঞ্জ জেলার ভাটি এলাকা হিসেবে পরিচিত আজমিরীগঞ্জ উপজেলা। হাওর বেষ্টিত এ উপজেলাটি এক সময় অবহেলিত হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমান সরকারের আমলে উপজেলার আমুল পরিবর্তন হয়েছে। এক সময় জেলা সদর থেকে এ উপজেলায় বর্ষা মওসুমে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল নৌ-পথ। আর শুকনো মওসুমে যাতায়াতে উপজেলাবাসীকে চরম দুর্ভোগে পোহাতে হতো। সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের মাধ্যমে এ উপজেলা সদরে যাওয়ার জন্য শিবপাশা থেকে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এছাড়াও এ উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে আরো সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় পরিবহন দিয়ে যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে। কিছু এলাকার মানুষের জন্য শুকনো মৌসুমে চলাচলের জন্য সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এসব এলাকার মানুষকে বর্ষা মওসুমে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। এছাড়াও গ্রামে গ্রামে বিদ্যুত সংযোগ প্রদানসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলার মোট ভোটার ৭৭হাজার ৭৭৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৯হাজার ১০২ ও মহিলা ৩৮হাজার ৮৭৭জন। বিগত ৪র্থ উপজেলা নির্বাচনে এ উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মরহুম আতর মিয়া মিয়া। এ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া। গত বছরের ৩০এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। এ প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৫ জুলাই উপ-নির্বাচনের দিন ধার্য্য করে নির্বাচন কমিশন। এ উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের ৩ জনের নাম প্রস্তাব করে প্রেরণের জন্য বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ১৮ জুন উপজেলা পরিষদের হলরুমে বর্ধিত সভায় মিলিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা হাসান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতর আলী মিয়ার ছেলে যুবলীগ নেতা আল-আমিন ও রানা রায় দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে নিজেরা প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। সভায় কেউই কাউকে ছাড় দিতে রাজি হননি। এ সময় মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া এবং আল-আমিনের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে সভায় হট্টগোল শুরু হলে আল-আমিন ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। সাথে সাথে তাকে উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শিউলী তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাঃ শিউলী জানান, আল আমিনকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়।
আল আমিনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার পক্ষের লোকজন ও দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। তারা উপজেলা পরিষদ হলরুমের ভিতরে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কাকাইলছেও ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল হক ভূঁইয়াসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের উপর হামলার চেষ্টা করে। এ সময় ভেতরে থাকা নেতাকর্মীরা দরজা বন্ধ করে নিজেদের আত্মরক্ষা করেন। হলরুমের ভিতরে প্রায় ৫/৬ ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকার পর রাতে বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ঘটনাস্থলে গিয়ে মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া ও নূরুল হক ভূঁইয়াসহ ১১ নেতাকর্মীকে উদ্ধার করে পুলিশ প্রহরায় হবিগঞ্জ নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আল-আমিন হত্যার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কাকাইলছেও ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল হক ভূঁইয়াসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে নিহতের ভাই বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলার আসামী হয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মিজবাহ উদ্দিন ভূইয়া দলীয় মনোনয়ন পেয়ে যান। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মরহুম আতর আলী মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিন নির্বাচনে অংশ নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচনে তিনি আনারস প্রতিক নিয়ে ২৬ হাজার ৭৫৬ ভোট পান। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মিজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া  (নৌকা) প্রতিক নিয়ে পান ১৯ হাজার ৮৪৪ ভোট। এ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইদুল আমিন চৌধুরী শিরুল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৬০৮ ভোট পান। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থী নিধারণ নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ ২টি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয় আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামীলীগের মনোনীত দুই বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রর্থী হিসেবে আরেকজন চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাউদ্দিনের পক্ষে কাজ করেন। এরপর থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগের মধ্যে আভ্যন্তরীন বিরোধ চরম আকার ধারণ করে।
যদিও বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল গ্রুপের নেতাকর্মীরাই এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানকে নির্বাচিত করার জন্য কাজ করেছেন। কিন্তু উপজেলা আওয়ামীলীগের উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা এক মঞ্চে উঠেননি। এ অবস্থায় দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে। এর মধ্যে এবারের উপজেলা নির্বাচনেও অংশগ্রহন করার জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা হাসান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মিজবাহ উদ্দিন ভ্ইূয়া, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা আলাউদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা ডাঃ লোকমান, বিএনপি’র অ্যাডভোকেট সাইদুল আমিন চৌধুরী শিরুল, সিলেট মহানগর বিএনপির সহস্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক খালেদুর রশিদ ঝলক, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক কাপ্তান সারোয়ার। এ উপজেলার ভাইস চেয়াম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ আব্দুল হাই, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হীরেন্দ্র পুরকায়স্থ, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান, যুবলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক মমিনুর রহমান সজিব, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক আনিছুল ইসলাম জুয়েল, আওয়ামীলীগ নেতা মনু মিয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রোকসানা আক্তার শিখা, সাংবাদিক আমির হামজার স্ত্রী অলিমা খাতুনের নাম শোনা যাচ্ছে।
বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা আলাউদ্দিন জানান, আমার বাবা আতর মিয়া আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন প্রকৃত সৈনিক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন আজমিরীগঞ্জবাসীর কল্যাণে কাজ করে গেছেন। বাবা মারা যাওয়ার পর উপ-নির্বাচনে আজমিরীগঞ্জবাসী আমাকে দলমত নির্বিশেষে বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আমাকে জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। এর প্রতিদান দিতে আমি বাবার আদর্শ ধারণ করে উপজেলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। এবার আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ন করবে। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিজবাহ উদ্দিন ভূইয়া জানান, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এলাকার মানুষের সাথে আমার সব সময় যোগাযোগ রয়েছে। শুধু নির্বাচনই বড় কথা নয়, আমি দলীয় সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। দল যদি আমাকে প্রার্থী মনোনীত করে তাহলে আমি নির্বাচনে অংশ নেবো। আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে কাজ করবো। বিগত নির্বাচনের পরাজয়ের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন দলের কিছু নেতাকর্মী নৌকার বিরোধীতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। এছাড়া বিএনপি প্রার্থী দিলেও নৌকা ঠেকাতে গিয়ে বিএনপি-জামাত স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থা নেয়। আমাকে ষড়যন্ত্র করে পরাজিত করা হয়েছিল। এবারও আমি আশাবাদী দলীয় মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো। এ ব্যাপারে মর্তুজা হাসান জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমি আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ইতোপূর্বে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমি ২০১৪ সালের পূর্বে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। পরবর্তীতে ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়াকে। এ প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করি। এ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মরহুম আতর আলী মিয়া দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ সময় দলকে তাকে বহিস্কার করা হলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয়ভাবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিস্কার আদেশ তুলে নেয়ায় তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ ফিরে পান। এরপর আতর আলী মিয়া মারা যাওয়ার পর উপ-নির্বাচনে দল আমার ও মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়ার নাম দলীয় প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে প্রেরণ করে। এ সময় মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়ার উপর একটি মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের হওয়ার কারণে জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ আমাকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। আমি সরে যাওয়ায় দলীয় মনোনয়ন পান মিসবাহ উদ্দিন ভূইয়া। কিন্তু উপ-নির্বাচনে পরাজিত হন তিনি। এবার আমি আশাবাদী দলীয় মনোনয়ন পাবো। দলীয় মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো। বিএনপি নেতা খালেদুর রশিদ ঝলক জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকাল ১০টা পর্যন্ত আজমিরীগঞ্জে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছিল। এরপর সরকারী বাহিনী ও সরকার দলীয় লোকজন কেন্দ্রগুলো দখলে নিয়ে যায়। এরপর ধানের শীষ ১১হাজার ভোট পেয়েছিল। বিকেল ৪টা পর্যন্ত জনগণ ভোট দিতে পারলে আজমিরীগঞ্জে ধানের শীষ প্রতিক নির্বাচিত হতো। তিনি বলেন-জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত যদি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করার সরকারের পরিকল্পনা তাকে তাহলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে বলে আমার মনে হয় না। তিনি বলেন- অতীতে আজমিরীগঞ্জে দলের বাইর থেকে লোক এনে প্রার্থী দেয়া হয়েছে। এবার আমি দলীয় মনোনয়ন পাবো বলে আশাবাদী। দলীয় মনোনয়ন পেলে যদি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তাহলে জনগণ ধানের শীষকে নির্বাচিত করবে বলে আমি আশাবাদী। উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক কাপ্তান সারোয়ার জানান, জাতীয় পার্টি একটি নির্বাচনমুখী দল। প্রতিটি নির্বাচনেই জাতীয় পার্টি অংশ গ্রহন করছে। উপজেলা নির্বাচনের পরিবেশন কেমন হবে তা আমি জানি না। নির্বাচনের পরিবেশ বিবেচনা করেই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। আর দলীয় প্রার্থী হিসেবে আমিই মনোনয়ন পাবো। তিনি বলেন- আজমিরীগঞ্জের প্রত্যেকটি মানুষের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আশা করি নির্বাচনে অংশ নিলে আজমিরীগঞ্জবাসী আমাকে মূল্যায়ন করবে।
-