উমেদনগরে সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া-
স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর খোয়াই ব্রিজ এলাকায় বানিয়াচঙ্গ সড়কের সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বানিয়াচং সড়কের সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে স্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে উমেদনগরের আশরাফ আহমেদ, দুদু মিয়া, আব্দুল মালেক গংদের সাথে একই গ্রামের হাবিবুর রহমান নজরুল ইসলাম গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। হাবিবুর রহমান গংদের নেতৃত্বে এ রোডে হবিগঞ্জ সদরের সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করতো। অপরদিকে আশরাফ আহমেদ, দুদু মিয়া গংদের নেতৃত্বে বানিয়াচঙ্গ সিএনজি অটোরিক্সা সমিতির পরিবহনগুলো চলাচল করে। একই স্থানে দুটি অফিসের মাধ্যমে সিএনজি অটোরিক্সাগুলো চলাচল করছিল। সম্প্রতি সদরের এক সিএনজি অটোরিক্সা যাত্রী নিয়ে বানিয়াচঙ্গে গেলে বানিয়াচঙ্গ সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিকরা তাকে মারধোর করে। পরবর্তীতে আবার বানিয়াচঙ্গের সিএনজি অটো শ্রমিকদের হবিগঞ্জ সদরের সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিকরা মারপিট করে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উভয়পক্ষকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে বলা হয়। পূর্বে যেভাবে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করতো সেভাবে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর দুপুরে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে সিএনজি অটোরিক্সা ছাড়া নিয়ে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি ইয়াছিনুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনার পর থেকে হবিগঞ্জ-বানিয়াচঙ্গ সড়কে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াছিনুল হক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

-