বানিয়াচঙ্গে আহ্লে হাদিস দাবিদার মাওলানা মনির উদ্দিনের প্রকাশ্য সমাবেশে ক্ষমা প্রার্থনা
শিব্বির আহমদ আরজু, বানিয়াচঙ্গ থেকে ॥ বানিয়াচঙ্গে আহ্লে হাদিস দাবিদার মাওলানা মনির উদ্দিন (৪০) অবশেষে প্রকাশ্যে তওবা করে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতার সামনে সৃষ্ট কৃতকর্মের জন্য বানিয়াচঙ্গ শাহী ঈদগাহের ইমাম শায়খুল হাদিস ফজলুর রহমানের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সেই সাথে ভবিষ্যতে এ ধরনের ফেতনা সৃষ্টি করবেন না বলে অঙ্গিকার করেন। গতকাল শুক্রবার বেলা ২টায় উপজেলা সদরের তোপখানা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বানিয়াচঙ্গ মাজহাব সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জুম্মার নামাজের পরপরই সদরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ মিছিল সহকারে সভায় উপস্থিত হন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বানিয়াচঙ্গ সিনিয়র আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দাল হোসেন খান। বক্তাগণ বলেন, ইসলাম বিরোধী চক্রের টাকা খেয়ে এ দেশের মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে এক শ্রেণির লোকজন কাজ করছে। তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। অন্যথায় তাদের সৃষ্ট ফেতনায় পড়ে মুসলমানদের ঈমান আকীদা ধ্বংস হবে। মাওলানা বশির আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ২নং ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা হায়দারুজ্জামান খান ধন মিয়া, শায়খুল হাদিস আল্লামা ফজলুর রহমান, দারুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা আয়ুব বিন সিদ্দিক, বাসিয়াপাড়া মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা শায়েখ ইকবাল হোসাইন, হাজী ফরিদ উল্লা, মাওলানা আবুবকর সিদ্দিক, মাওলানা আজিজুর রহমান, মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান, মাওলানা মজিবুর রহমান, তোপখানা মাদ্রাসার সর্দার রাস্তাজ মিয়া।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার তারাবির নামাজের ত্বরিকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে মুসল্লীরা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেন। এদিকে তাবলিগ জামাতের সাথে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম আসিফ বিন ইকরাম অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় প্রতিবাদ সভায় নিন্দা ও তার অপসারণের দাবি জানানো হয়।
প্রথম পাতা