মাওলানা মোঃ আনোয়ার আলী
আজ ১৫তম রমজান। মাহে রমজানের অর্ধেক শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের হিসাব লাগানো প্রয়োজন যে, আমরা মাহে রমজান থেেেক কতটুকু ফায়দা হাসিল করতে পেরেছি। উত্তর যদি সন্তোষজনক হয় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ, অন্যথায় আমার কাজ নিয়ে পুনঃবিবেচনা করা প্রয়োজন। হাদিস শরীফে আছে- হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, হুজুর (সঃ) ফরমান, ‘আল্লাহজাল্লাশানুহু এবং তার ফেরেশতারা তাদের প্রতি রহমত নাযিল করেন, যারা সেহরি খায়।’ সেহরি খাওয়া সওয়াবের কাজ। ইহা আল্লাহপাকের এক বিশেষ রহমত। সেহরি খাওয়া মোস্তাহাব। নবী করিম (সঃ) ফরমান, ‘আমাদের এবং আহলে কিতাব অর্থাৎ ইহুদী-নাসারাদের মাঝে পার্থক্য হচ্ছে আমরা সেহরি খাই, তারা সেহরি খায় না। হাদিস শরীফে আছে- রাসুল বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে। অন্য এক হাদিসে আছে যে, তিনটি কাজে বরকত আছে, একটি পাঁচ ওয়াক্ত জামাতে নামাজ আদায় করলে সকল কাজে বরকত হয়। মনে শান্তি পাওয়া যায়। ২য়টি ছুরাইদ, এক প্রকার তরকারী (গোশত এবং রুটি মিশ্রিত) যা রাসুল (সঃ) খুবই পছন্দ করতেন। আর ৩য়টি হচ্ছে সেহরি খাওয়ার মধ্যে বরকত হয়। এজন্য সকল সাবালগ মুসলিম নর-নারীর উচিত হলো সুবহে সাদেকের প্রাক্কালে সেহরি খাওয়া। রাসুল (সঃ) কোনো সাহাবীকে তার সহিত খাবার খাওয়াতে আহবান করলে বলতেন, এসো বরকতের খাবার খাও। হাদিস শরীফে আছে যে, সেহরি খেয়ে রোজার শক্তি অর্জন কর দুপুরে ঘুমিয়ে শেষ রাতে উঠার কাজে সাহায্য নাও।
আজ ১৫তম রমজান। মাহে রমজানের অর্ধেক শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের হিসাব লাগানো প্রয়োজন যে, আমরা মাহে রমজান থেেেক কতটুকু ফায়দা হাসিল করতে পেরেছি। উত্তর যদি সন্তোষজনক হয় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ, অন্যথায় আমার কাজ নিয়ে পুনঃবিবেচনা করা প্রয়োজন। হাদিস শরীফে আছে- হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, হুজুর (সঃ) ফরমান, ‘আল্লাহজাল্লাশানুহু এবং তার ফেরেশতারা তাদের প্রতি রহমত নাযিল করেন, যারা সেহরি খায়।’ সেহরি খাওয়া সওয়াবের কাজ। ইহা আল্লাহপাকের এক বিশেষ রহমত। সেহরি খাওয়া মোস্তাহাব। নবী করিম (সঃ) ফরমান, ‘আমাদের এবং আহলে কিতাব অর্থাৎ ইহুদী-নাসারাদের মাঝে পার্থক্য হচ্ছে আমরা সেহরি খাই, তারা সেহরি খায় না। হাদিস শরীফে আছে- রাসুল বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে। অন্য এক হাদিসে আছে যে, তিনটি কাজে বরকত আছে, একটি পাঁচ ওয়াক্ত জামাতে নামাজ আদায় করলে সকল কাজে বরকত হয়। মনে শান্তি পাওয়া যায়। ২য়টি ছুরাইদ, এক প্রকার তরকারী (গোশত এবং রুটি মিশ্রিত) যা রাসুল (সঃ) খুবই পছন্দ করতেন। আর ৩য়টি হচ্ছে সেহরি খাওয়ার মধ্যে বরকত হয়। এজন্য সকল সাবালগ মুসলিম নর-নারীর উচিত হলো সুবহে সাদেকের প্রাক্কালে সেহরি খাওয়া। রাসুল (সঃ) কোনো সাহাবীকে তার সহিত খাবার খাওয়াতে আহবান করলে বলতেন, এসো বরকতের খাবার খাও। হাদিস শরীফে আছে যে, সেহরি খেয়ে রোজার শক্তি অর্জন কর দুপুরে ঘুমিয়ে শেষ রাতে উঠার কাজে সাহায্য নাও।








