বিয়ে করার জন্য বিদেশ থেকে আনা স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচঙ্গ উপজেলার মক্রমপুর ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে ঘরের লোকজনকে জিম্মি করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে রাধাপুর গ্রামের আল-আমিন ৮ জনকে আসামী করে বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার বড় ভাই মোঃ ইয়াহিয়া সৌদি আরব প্রবাসী। ১২ বছর পর বিয়ে করতে টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল নিয়ে তিনি দেশে আসেন। এ খবর ডাকাতরা জানতে পেরে তাদের বাড়িতে ডাকাতির পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ জুলাই রাতে একদল ডাকাত বাড়ির পেছনের দরজার খিল ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। এক পর্যায়ে অস্ত্রধারী ডাকাতরা স্টিলের আলমিরা ভেঙ্গে ৬ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতিকালে আল-আমিনের ছোট ভাই নূরুল আমিন এক ডাকাতকে জাপটে ধরে শোর চিৎকার শুরু করলে ডাকাতরা নূরুল আমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। ওই সময় ডাকাতরা নূরুল আমিনের ২৬ হাজার টাকা মূল্যের ই-৬৬ মডেলের একটি নোকিয়া মোবাইল ফোন, আলমিরার ড্রয়ার থেকে স্বর্ণের চেইন ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়।
আল-আমিনের দাবি সৌর বিদ্যুতের আলোতে তিনি ডাকাতদের চিনতে পেরেছেন। এ ঘটনায় তিনি একই গ্রামের রুবেল মিয়া, জুলহাস মিয়া, রাসেল মিয়া, কাজেম মিয়া, নূর মিয়া, আব্দুর রহিম, হাদিস মিয়া, জাদেল মিয়াসহ অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচঙ্গ উপজেলার মক্রমপুর ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে ঘরের লোকজনকে জিম্মি করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে রাধাপুর গ্রামের আল-আমিন ৮ জনকে আসামী করে বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার বড় ভাই মোঃ ইয়াহিয়া সৌদি আরব প্রবাসী। ১২ বছর পর বিয়ে করতে টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল নিয়ে তিনি দেশে আসেন। এ খবর ডাকাতরা জানতে পেরে তাদের বাড়িতে ডাকাতির পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ জুলাই রাতে একদল ডাকাত বাড়ির পেছনের দরজার খিল ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। এক পর্যায়ে অস্ত্রধারী ডাকাতরা স্টিলের আলমিরা ভেঙ্গে ৬ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতিকালে আল-আমিনের ছোট ভাই নূরুল আমিন এক ডাকাতকে জাপটে ধরে শোর চিৎকার শুরু করলে ডাকাতরা নূরুল আমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। ওই সময় ডাকাতরা নূরুল আমিনের ২৬ হাজার টাকা মূল্যের ই-৬৬ মডেলের একটি নোকিয়া মোবাইল ফোন, আলমিরার ড্রয়ার থেকে স্বর্ণের চেইন ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়।
আল-আমিনের দাবি সৌর বিদ্যুতের আলোতে তিনি ডাকাতদের চিনতে পেরেছেন। এ ঘটনায় তিনি একই গ্রামের রুবেল মিয়া, জুলহাস মিয়া, রাসেল মিয়া, কাজেম মিয়া, নূর মিয়া, আব্দুর রহিম, হাদিস মিয়া, জাদেল মিয়াসহ অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন।









