মামলা নিজের পক্ষে আনার প্রলোভন দিয়ে বাদীনির নিকট থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা
স্টাফ রিপোর্টার ॥ টাকার বিনিময়ে মামলা নিজের পক্ষে আনার প্রলোভন দিয়ে বাদীর নিকট থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক আইনজীবী সহকারীকে ৪ বছরের কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৫ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল দুপুরে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহিদুল আমিন এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আইনজীবী সহকারী হলেন বাহুবল উপজেলার আব্দাকামালপুর গ্রামের শপদু মিয়ার পুত্র আব্দুল মতিন (৩৫)।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালে দন্ডপ্রাপ্ত আইনজীবী সহকারীর কাছে পার্শ্ববর্তী বাড়ির তাউস মিয়ার স্ত্রী আজিজুন নেছা একটি মামলার বিষয়ে আসেন। আব্দুল মতিন মামলাটি নিজের পক্ষে আনার জন্য ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা দাবি করেন। বাদী আজিজুন নেছা ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা দেন। কিন্তু মামলার রায় তার পক্ষে হয়নি। পরে আজিজুন নেছা টাকা ফেরত চাইলে মতিন টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করেন। পরে একই বছর ২৮ জুন আজিজুন নেছা বাদী হয়ে মতিনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। গতকাল বিজ্ঞ বিচারক আসামীর উপস্থিতিতে রায় প্রদান করেন।
স্টাফ রিপোর্টার ॥ টাকার বিনিময়ে মামলা নিজের পক্ষে আনার প্রলোভন দিয়ে বাদীর নিকট থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক আইনজীবী সহকারীকে ৪ বছরের কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৫ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল দুপুরে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহিদুল আমিন এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আইনজীবী সহকারী হলেন বাহুবল উপজেলার আব্দাকামালপুর গ্রামের শপদু মিয়ার পুত্র আব্দুল মতিন (৩৫)।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালে দন্ডপ্রাপ্ত আইনজীবী সহকারীর কাছে পার্শ্ববর্তী বাড়ির তাউস মিয়ার স্ত্রী আজিজুন নেছা একটি মামলার বিষয়ে আসেন। আব্দুল মতিন মামলাটি নিজের পক্ষে আনার জন্য ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা দাবি করেন। বাদী আজিজুন নেছা ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা দেন। কিন্তু মামলার রায় তার পক্ষে হয়নি। পরে আজিজুন নেছা টাকা ফেরত চাইলে মতিন টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করেন। পরে একই বছর ২৮ জুন আজিজুন নেছা বাদী হয়ে মতিনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। গতকাল বিজ্ঞ বিচারক আসামীর উপস্থিতিতে রায় প্রদান করেন।









