শায়েস্তাগঞ্জে কাজীর কর্তব্য পরায়ণতায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে কিশোরী
মোঃ মামুন চৌধুরী ॥ শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ সৈয়দুজ্জামান, পৌর কাউন্সিলর আ.স.ম আফজল আলী ও কাজী এমএ জলিলের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে হাবিবা বেগম নামে ১২ বছরের এক কিশোরী। কাজী এম এ জলিল জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুরে বিয়ে অনুষ্ঠানের জন্য বর ও কনের পক্ষের লোকজন তাকে বাসা থেকে মাইক্রোযোগে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বড়চর গ্রামের বাউল শিল্পী শান্তার ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়ে যায়। বিয়ের পূর্বে কাজী এমএ জলিল বর ও কনের জন্ম নিবন্ধন কার্ড দেখতে চান। এ সময় তিনি কনে বানিয়াচঙ্গ উপজেলার বাগিয়াপাড়া ইসলামপুর গ্রামের হাবিবা বেগমের বয়স ১২ বছর দেখতে পান এবং বরের পরিচয় দেয়া হয় বি-বাড়িয়া জেলার করমপুর মাজারের খাদেম রিংকু শাহ (৩২)। কনের বয়স কম হওয়ায় কাজী বিয়ে পড়াতে রাজি হননি। তিনি বিয়ে না পড়িয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ সৈয়দুজ্জামান ও পৌর কাউন্সিলর আ.স.ম আফজল আলীকে বিষয়টি জানান। তারা ঘটনাস্থলে গেলে বর ও কনের পরিবার বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেয়। এ সময় উভয় পরিবার জানায়, সময় হলে তাদের বিয়ে পড়ানো হবে।
প্রথম পাতা