শামীম আহছান
সাংবাদিকদের যেন জন্মই হয়েছে মার খাওয়ার জন্য। প্রতিনিয়তই তারা সমাজের ক্ষমতাবান মানুষদের কাছে নির্যাতিত হচ্ছেন। এ সমস্ত নির্যাতনের ধরণ যেন দিন দিন বদলে যাচ্ছে। ক্ষমতাবানদের পাশাপাশি এখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকেও তারা নিরাপদ নন। যে কোন অজুহাতে তারা সাংবাদিকদের উপর হামলে পড়ছে। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে গতকাল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন সাংবাদিকরা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করেন। (সবচেয়ে মর্মান্তিক ও দুঃখজনক ব্যাপার হলো গত ৪০ বছরে যে সমস্ত সাংবাদিক বিভিন্নভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন তাদের একটিও এখন পর্যন্ত বিচারের পর্যায়ে আসেনি।) এ বছরটা শুরু হয়েছে সাগর-রুনি হত্যাকান্ড দিয়ে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ৪৮ ঘন্টা এখন অনেক অনেক ঘন্টা হয়ে গেছে। আরো কত ঘন্টা হবে কেউ বলতে পারে না। এরপর থেকে যেন সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়তেই থাকে। সংবাদ সংগ্রহের সময় এই কয়েক মাসে প্রচুর সাংবাদিক পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গত কয়েক দিনে যেন সাংবাদিক নির্যাতনের মহোৎসব শুরু হয়েছে। এমনকি আদালত পাড়ায়ও তারা নিরাপদে নেই। এখন সাংবাদিকরা যাবে কোথায়? তাহলে কি তারা দায়িত্ব পালন করবে না। এমনকি সংবাদ সংস্থার অফিসেও আর কেউ নিরাপদ নেই। তা না হলে ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকায় মুষ্টিমেয় কিছু সন্ত্রাসী অফিসে ঢুকে সাংবাদিকদের কসাইয়ের মতো কুপিয়েছে। প্রতিটি ঘটনার পরই কর্তৃপক্ষ কিছু গৎবাধা বুলি আউড়ান। এ সমস্ত গৎবাধা কথা এখন আর কাউকে আলোড়িত করে না। এ সমস্ত বিষয়গুলোর কারণে হতাশার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। এখন সাংবাদিকরা যদি এই নিপীড়নের কারণে পিছিয়ে যায় তাহলে দেশ ও সমাজ কোথায় যাবে কেউ বলতে পারে না। সাংবাদিকরা যদি সত্য ন্যায়ের কথা, অন্যায় দুর্নীতির প্রতিবাদ না করে তবে আজকে যারা ক্ষমতাবান আগামীতে তারা যখন ক্ষমতাহীন হবেন তখন তারা যাবেন কোথায়। সাংবাদিকদের আজ সময় হয়েছে রুখে দাঁড়ানোর। ১৬ কোটি মানুষের সত্যিকারের ভরসা ও বিশ্বাসের জায়গাই হলো সাংবাদিক। কাজেই যত নির্যাতন হউক না কেন জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভর করেই সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে হবে। সমাজের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে বলে যেতেই হবে। কোনভাবেই পিছিয়ে পড়া যাবে না। জনগণ তাদের দিকে বড় আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।
সাংবাদিকদের যেন জন্মই হয়েছে মার খাওয়ার জন্য। প্রতিনিয়তই তারা সমাজের ক্ষমতাবান মানুষদের কাছে নির্যাতিত হচ্ছেন। এ সমস্ত নির্যাতনের ধরণ যেন দিন দিন বদলে যাচ্ছে। ক্ষমতাবানদের পাশাপাশি এখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকেও তারা নিরাপদ নন। যে কোন অজুহাতে তারা সাংবাদিকদের উপর হামলে পড়ছে। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে গতকাল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন সাংবাদিকরা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করেন। (সবচেয়ে মর্মান্তিক ও দুঃখজনক ব্যাপার হলো গত ৪০ বছরে যে সমস্ত সাংবাদিক বিভিন্নভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন তাদের একটিও এখন পর্যন্ত বিচারের পর্যায়ে আসেনি।) এ বছরটা শুরু হয়েছে সাগর-রুনি হত্যাকান্ড দিয়ে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ৪৮ ঘন্টা এখন অনেক অনেক ঘন্টা হয়ে গেছে। আরো কত ঘন্টা হবে কেউ বলতে পারে না। এরপর থেকে যেন সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়তেই থাকে। সংবাদ সংগ্রহের সময় এই কয়েক মাসে প্রচুর সাংবাদিক পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গত কয়েক দিনে যেন সাংবাদিক নির্যাতনের মহোৎসব শুরু হয়েছে। এমনকি আদালত পাড়ায়ও তারা নিরাপদে নেই। এখন সাংবাদিকরা যাবে কোথায়? তাহলে কি তারা দায়িত্ব পালন করবে না। এমনকি সংবাদ সংস্থার অফিসেও আর কেউ নিরাপদ নেই। তা না হলে ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকায় মুষ্টিমেয় কিছু সন্ত্রাসী অফিসে ঢুকে সাংবাদিকদের কসাইয়ের মতো কুপিয়েছে। প্রতিটি ঘটনার পরই কর্তৃপক্ষ কিছু গৎবাধা বুলি আউড়ান। এ সমস্ত গৎবাধা কথা এখন আর কাউকে আলোড়িত করে না। এ সমস্ত বিষয়গুলোর কারণে হতাশার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। এখন সাংবাদিকরা যদি এই নিপীড়নের কারণে পিছিয়ে যায় তাহলে দেশ ও সমাজ কোথায় যাবে কেউ বলতে পারে না। সাংবাদিকরা যদি সত্য ন্যায়ের কথা, অন্যায় দুর্নীতির প্রতিবাদ না করে তবে আজকে যারা ক্ষমতাবান আগামীতে তারা যখন ক্ষমতাহীন হবেন তখন তারা যাবেন কোথায়। সাংবাদিকদের আজ সময় হয়েছে রুখে দাঁড়ানোর। ১৬ কোটি মানুষের সত্যিকারের ভরসা ও বিশ্বাসের জায়গাই হলো সাংবাদিক। কাজেই যত নির্যাতন হউক না কেন জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভর করেই সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে হবে। সমাজের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে বলে যেতেই হবে। কোনভাবেই পিছিয়ে পড়া যাবে না। জনগণ তাদের দিকে বড় আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।









