আজ পহেলা বৈশাখ
মোহাম্মদ নুর উদ্দিন ॥ আজ পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ। স্বাগতম ১৪১৯ বঙ্গাব্দ। নতুন বছরকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে গোটা জাতি। বর্ষবরণে পিছিয়ে নেই হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গন। নববর্ষ উপলক্ষে প্রশাসন, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক আয়োজন করেছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিমতলায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ ও হবিগঞ্জ পৌরসভা নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।
জেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে সকাল ৯টায় নিমতলা থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, গ্রামীণ মেলার আয়োজন, আলোচনা সভা, হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, শিশু পরিবারসমূহে উন্নতমানের বাঙালি খাবার, শিশুদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জেলখানায় কারাবন্দিদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন দ্রব্যাদির প্রদর্শনীর ব্যবস্থা গ্রহণ।
হবিগঞ্জ পৌরসভা ৩ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে। নববর্ষের সকালে র্যালি, সন্ধ্যায় আলোচনা সভার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। তিনদিনব্যাপী উৎসবের প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আলোচনা সভা এবং রাত ৮টায় পৌরমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বৃন্দাবন সরকারি কলেজে সকাল ৯টায় বৈশাখী মঞ্চ উদ্বোধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নববর্ষকে সামনে রেখে পুরো ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন সাজে। সরকারি মহিলা কলেজ ও হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে বর্ষবরণের আয়োজন করেছে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে খই বিতরণ, সাড়ে ৯টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দুপুরে আলোচনা সভা ও বিকেলে রয়েছে র্যাফেল ড্র। এছাড়া মহিলাদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় নৌকা ভ্রমণ।
এছাড়া বর্ষবরণের জন্য হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বিকেজিসি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাড্স স্কুল, মাতৃছায়া কেজি এন্ড হাইস্কুল, প্রতীক থিয়েটার, বর্ণমালা খেলাঘর আসর ব্যাপক আয়োজন করেছে। গতকাল বর্ষবরণের শেষ প্রস্তুতিতে ছিল ছেলেমেয়েদের ব্যাপক উপস্থিতি। মহিলা কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রিহার্সেল হিসেবে ছাত্রীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। পাশাপাশি দেয়ালে ও নৌকা ভ্রমণের জন্য নৌকায় বিভিন্ন রঙ্গের কাজ শেষ করেছে। তবে শহরের ফুলের দোকানে ছিল উপচেপড়া ভিড়। বন্ধু-বান্ধব ও সহপাঠীদের নিয়ে ফুল ক্রয় করতে ব্যস্ত দেখা গেছে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদেরকে। ফুল ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় দামও ছিল বেশ চড়া। সকল প্রস্তুতি শেষে আজ শুরু হচ্ছে বর্ষবরণ।
মোহাম্মদ নুর উদ্দিন ॥ আজ পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ। স্বাগতম ১৪১৯ বঙ্গাব্দ। নতুন বছরকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে গোটা জাতি। বর্ষবরণে পিছিয়ে নেই হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গন। নববর্ষ উপলক্ষে প্রশাসন, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক আয়োজন করেছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিমতলায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ ও হবিগঞ্জ পৌরসভা নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।জেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে সকাল ৯টায় নিমতলা থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, গ্রামীণ মেলার আয়োজন, আলোচনা সভা, হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, শিশু পরিবারসমূহে উন্নতমানের বাঙালি খাবার, শিশুদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জেলখানায় কারাবন্দিদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন দ্রব্যাদির প্রদর্শনীর ব্যবস্থা গ্রহণ।
হবিগঞ্জ পৌরসভা ৩ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে। নববর্ষের সকালে র্যালি, সন্ধ্যায় আলোচনা সভার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। তিনদিনব্যাপী উৎসবের প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আলোচনা সভা এবং রাত ৮টায় পৌরমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বৃন্দাবন সরকারি কলেজে সকাল ৯টায় বৈশাখী মঞ্চ উদ্বোধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নববর্ষকে সামনে রেখে পুরো ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন সাজে। সরকারি মহিলা কলেজ ও হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে বর্ষবরণের আয়োজন করেছে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে খই বিতরণ, সাড়ে ৯টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দুপুরে আলোচনা সভা ও বিকেলে রয়েছে র্যাফেল ড্র। এছাড়া মহিলাদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় নৌকা ভ্রমণ।
এছাড়া বর্ষবরণের জন্য হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বিকেজিসি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাড্স স্কুল, মাতৃছায়া কেজি এন্ড হাইস্কুল, প্রতীক থিয়েটার, বর্ণমালা খেলাঘর আসর ব্যাপক আয়োজন করেছে। গতকাল বর্ষবরণের শেষ প্রস্তুতিতে ছিল ছেলেমেয়েদের ব্যাপক উপস্থিতি। মহিলা কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রিহার্সেল হিসেবে ছাত্রীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। পাশাপাশি দেয়ালে ও নৌকা ভ্রমণের জন্য নৌকায় বিভিন্ন রঙ্গের কাজ শেষ করেছে। তবে শহরের ফুলের দোকানে ছিল উপচেপড়া ভিড়। বন্ধু-বান্ধব ও সহপাঠীদের নিয়ে ফুল ক্রয় করতে ব্যস্ত দেখা গেছে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদেরকে। ফুল ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় দামও ছিল বেশ চড়া। সকল প্রস্তুতি শেষে আজ শুরু হচ্ছে বর্ষবরণ।









