যাদেরকে যাকাতের মাল দিবেন
মাওলানা আনোয়ার আলী
মাহে রমযান যাকাত আদায়ের একটি উত্তম সময়। এ মাসে ছদকা খয়রাত করলে এমনিতেই অন্য মাসের তুলনায় বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। কাজেই যাকাতও এ মাসে দেয়া ভাল। বিশেষ করে ঈদুল ফেতরের পূর্বক্ষনে যদি একজন গরীব কিছু যাকাতের মালও পায় তাহলে সে স্বাচ্ছন্দে ঈদ করতে পারে। যাকাত আদায় করা সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেন, তাদের মাল থেকে যাকাত আদায় কর যাতে তুমি সেগুলোকে পবিত্র করতে পার এবং সেগুলোকে বরকতময় করতে পার এর মাধ্যমে।
উক্ত আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মালে বরকত হয়। আমাদের দেশে কিছু সম্পদশালী লোক মনে মনে ভাবেন যে যাকাত আদায় করলে মাল কমে যাবে। এ ধারণা ঠিক নয়। যাকাত দেওয়ার বেলায় খেয়াল করতে হবে যেন প্রকৃত প্রাপ্যরা পায়। যেমন যারা দরিদ্র মিসকিন, যাকাত আদায়ে নিযুক্ত ব্যক্তি, মনজয় করার জন্য, ক্রীতদাস, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, যারা আল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে পড়েছে এবং মুসাফির। উল্লেখিত ৮ প্রকার লোক বাদ দিয়ে অন্য কাউকে যাকাতের মাল দিলে যাকাত আদায় করা হবে না। আমাদের দেশে যদি ইসলামী সরকার হত এবং যথাযথভাবে যাকাতের মাল আদায় করে গরীবদের মাঝে সুষম বন্টন হত তাহলে এ দেশ থেকে বহু পূর্বেই দরিদ্র বিমোচন হয়ে যেত।
সকল মুসলমানদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন এবং সঠিকভাবে যাকাত আদায়ের চেষ্টা করা একান্ত কর্তব্য।